কর্মক্ষেত্রে তরূণেরা কিভাবে নেতৃত্ব দেবেন?

কোথায় পাবেন কর্পোরেট জব সার্কুলার?
September 4, 2019
কর্পোরেটে টিম লিডার হিসেবে সফল কারা?
October 3, 2019
সত্যিকার অর্থে টিমের ভালো চাইতে হবে, এর কোন বিকল্প নেই

সত্যিকার অর্থে টিমের ভালো চাইতে হবে, এর কোন বিকল্প নেই

হার্ভার্ড বিজনেস রিভিউর এক প্রবন্ধে দেখা গেছে যে, তরুণ নেতৃত্ব কর্মক্ষেত্রে তার কলিগদের কাছে গ্রহণযোগ্যতার দিকে থেকে বেশ কিছু ইউনিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছেন। সাফল্য লাভের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা আর অভিজ্ঞতার অভাবকেই তরুণ নেতৃত্বের প্রাথমিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে ধরে নেয়া হচ্ছে। আর এই মনোভাব থেকে টিমের অন্য সকল সদস্যদেরকে বের করে নিয়ে আসতে চাই সবার জন্য একটি মানানসই লক্ষ্য স্থির করা তথা টিমের অন্য সবার সাথে সেই লক্ষ্য শেয়ার করে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া। এক্ষেত্রে টিমের সবাই টিম লিডারকে নিশ্চিত করবেন যে তারা পরিকল্পিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে একমত এবং সেটা পূরণের জন্য নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবেন। তরুণ লিডারও তার উপর অর্পিত দায়িত্ব সমূহ বিশদভাবে ব্যাখ্যা করবেন যাতে করে তার টিম আশানুরূপ পারফর্ম করতে পারে। এতক্ষণে নিশ্চয় করে বুঝে গেছেন আজকের আয়োজন আসলে টিম পরিচালনা নিয়ে। আসুন তবে জেনে নেওয়া যাক কিভাবে টিম লিড দিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাবেন।

এক 

সত্যিকার অর্থে টিমের ভালো চাইতে হবে, এর কোন বিকল্প নেই!!! যদি আপনার টিমকে এই অনুভূতি দেন যে আপনি তাদের জন্য যথেষ্ট কেয়ারিং এবং তাদের মঙ্গলের জন্য কাজ করছেন তাহলে খুব সহজেই তারা আপনাকে সম্মান দিতে শুরু করবে। আবার কারো কেয়ার নেয়ার নেয়া মানে এই নয় যে তাকে সব সময় ইনফ্লুয়েন্স করতে হবে কিংবা টিম মেম্বারদের সব ব্যাক্তিগত অনুরোধ মেনে নিতে হবে। অধিকন্তু আপনি এটা দেখান যে–পুরো টিম তথা টিমের প্রত্যেকের সাফল্যের ব্যাপারে আপনি যথেষ্ট সচেষ্ট আছেন। এবং এটাও আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে যে কাজের ক্ষেত্রে টিম মেম্বারদের প্রয়োজনীয় সময় ও সাপোর্ট দেন। মনে রাখা দরকার যে শুরুতে আপনি যতটুকু বলবেন, টিমের সদস্যদের কথা তারচেয়ে বেশী সময় নিয়ে শুনবেন।

দল পরিচালনায় টিম ওয়ার্কে গুরুত্ব দিন, সহজেই সাফল্য ধরা দেবে।

দুই

টিমের সাফল্য মানেই আপনার সাফল্য, এটা মানতেই হবে!!! যে কোন বিজনেস লিডারের সাফল্য বিচার করার প্রধান মাপকাঠি হলো তার টিমের সাফল্য কতটুকু সেটা বিবেচনায় নেয়া। সর্বদা টিমকে হাইলাইটস করে প্রত্যেক কাজ সুচারু রুপে সম্পাদনের চেষ্টা করে যেতে হবে। আর টিমকে সাফল্যের কৃতিত্ব দেয়াটা হচ্ছে একজন ইয়ং লিডারের শ্রদ্ধা অর্জনের সবচেয়ে কার্যকরী উপায়। আর যখন লোকজন ফিল করবে যে আপনি তাদের প্রফেশনাল উন্নতির জন্য কাজ করেন, তখন তারা নিজে থেকে আরো ওপেন হবে, নিজেদের ব্যাপারে ফিডব্যাক চাইবে; আর গাইডলাইন প্রত্যাশা করবে।

তিন

কাজের ক্ষেত্রে দলের সদস্যদের প্রয়োজনীয় স্বাধীনতা দিন, এ ব্যাপারে কোন কৃপণতা নয়!!! শুরুতেই আপনি যদি খুঁটিনাটি সব বিষয়ে নিজের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্টা করতে যান, তবে টিমের লোকজন খুব তাড়াতাড়ি আপনাকে নিয়ে হতাশ হয়ে পড়তে পারে। এটা আরো বেশী করে চাপ সৃষ্টি করবে যদি কারো পূর্বের ম্যানেজারের সাথেও এমন অভিজ্ঞতা থেকে থাকে।

এর চেয়ে বরং একটি নিদিষ্ট লেভেল পর্যন্ত টিম মেম্বারদের কাজের স্বাধীনতা দিন, তাদের উপর আস্থা রাখুন এবং তাদেরকেও সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ করে দিন। কিছুদিন পর সম্ভব হলে তাদের কাজের মূল্যায়ন করুন এবং দেখুন কে স্বাধীনভাবে কাজ করছে আর কে করছে না। তখন যদি কেউ পারফর্ম করতে ব্যর্থ হয় তবে তাকে পারফর্মেন্স উন্নতির পরিকল্পনা দিন, সময় দিন, তাকে নিয়মিত মনিটর করুন। এরপরও যদি কারো পারফর্মেন্সের উন্নতি না হয় এবং তিনি উন্নতি করতে না চান তবে তাকে চলে যেতে দিতেই পারেন। মনে রাখবেন, একজন ম্যানেজার কখনো তার টিমের খুঁটিনাটি সবকিছুর নিয়ন্ত্রক নন বরং তিনি হলেন ফ্যাসিলেটেটর যিনি অন্যদেরকে ক্ষমতায়ন করেন।

ইয়ং লিডার হিসেবে লার্নিংয়ে ক্ষুধার্ত থাকুন, প্রতিদিনই অল্প অল্প করে শিখতে থাকুন আর নিজেকে সামনে এগিয়ে নিন।

ফাইনালিঃ

আমার ব্যাক্তিগত অভিমত হচ্ছে- এটা খুবই স্বাভাবিক যে আপনার কাছে সব সময় সব ধরনের প্রশ্নের জবাব কিংবা সকল সমস্যার সমাধান জানা নাও থাকতে পারে। তাই আপনার উচিৎ হবে অন্যান্য অভিজ্ঞ লিডারদের সাথে একটি কার্যকরী কর্পোরেট নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা যাতে করে চ্যালেঞ্জিং ম্যানেজেরিয়াল কাজের প্রয়োজনে আপনি তাদের মূল্যবান পরামর্শ নিতে পারেন। সাকসেসফুল বিজনেজ লিডারদের সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন আপনার লার্নিং কার্ভের গতিকে দ্রুত ত্বরান্বিত  করে আপনাকে আরো কার্যকর টিম লিডার হিসেবে পরিণত করবে।

তরুণ কর্পোরেট লিডারদের জন্যে অজস্র শুভকামনা!

কর্পোরেট নেতৃত্ব , একাল বনাম সেকাল

Follow me on Facebook . Check out my Website .

Hossain Joy
Hossain Joy
Hossain Joy is a seasoned professional in the corporate world, bringing a wealth of experience and insights to the table. With a successful career spanning 12 years, he has navigated the intricacies of the corporate landscape with resilience and determination. Hossain Joy is not only an accomplished writer but also a mentor who is passionate about sharing the valuable lessons learned throughout his journey. He has authored the inspiring book "Journey to My First Corporate Job," offering a compelling narrative of his early career experiences, challenges, and triumphs. In addition to his book, Hossain Joy extends his reach through a thought-provoking blog, where he imparts practical advice and wisdom gained from years of corporate life. He aims to guide and inspire young professionals, providing them with the tools to navigate their own paths to success. Whether through the written word or personal mentorship, Hossain Joy remains dedicated to empowering the next generation of professionals, fostering a community of growth, resilience, and achievement. Connect with Hossain Joy on Facebook.com/Hossain.Joy for more insights and updates on his journey and upcoming projects.

4 Comments

  1. […] এক্ষেত্রে বাস্তবতা এবং সীমাবদ্ধতার কথা মাথায় রেখে শিক্ষার্থীদের উচিৎ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নের সময়ে কাঙ্খিত জবের জন্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেয়া, দরকারি সব দক্ষতাসমূহ যেমনঃ সুন্দর উপস্থাপনা, যোগাযোগ দক্ষতা, সমস্যা সমাধানে পটু হওয়া, চ্যালেঞ্জ নেওয়ার মানসিকতা, ইংরেজি ভাষার উপর দখল,  এম এস ওয়ার্ড, এক্সেল, ই-মেইল করতে পারা ইত্যাদি অর্জনে মনোনিবেশ করা; যাতে করে অন্তত পড়াশোনা শেষ করার পর অন্যন্য প্রতিযোগির চেয়ে এগিয়ে থেকে ছয় মাসের মধ্যে চাকুরি নিশ্চিত করা যায়। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে জব প্রস্তুতির ব্যাপারটি অনেক শিক্ষার্থীর কাছে অজানা। পড়ুন কর্মক্ষেত্রে তরূণেরা কিভাবে নেতৃত্ব …  […]

  2. […] এক্ষেত্রে বাস্তবতা এবং সীমাবদ্ধতার কথা মাথায় রেখে শিক্ষার্থীদের উচিৎ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নের সময়ে কাঙ্খিত জবের জন্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেয়া, দরকারি সব দক্ষতাসমূহ যেমনঃ সুন্দর উপস্থাপনা, যোগাযোগ দক্ষতা, সমস্যা সমাধানে পটু হওয়া, চ্যালেঞ্জ নেওয়ার মানসিকতা, ইংরেজি ভাষার উপর দখল,  এম এস ওয়ার্ড, এক্সেল, ই-মেইল করতে পারা ইত্যাদি অর্জনে মনোনিবেশ করা; যাতে করে অন্তত পড়াশোনা শেষ করার পর অন্যন্য প্রতিযোগির চেয়ে এগিয়ে থেকে ছয় মাসের মধ্যে চাকুরি নিশ্চিত করা যায়। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে জব প্রস্তুতির ব্যাপারটি অনেক শিক্ষার্থীর কাছে অজানা। পড়ুন কর্মক্ষেত্রে তরূণেরা কিভাবে নেতৃত্ব …  […]

  3. […] অনেকদিন পর মার্কেট ভিজিটে গিয়ে জীবনের সাথে দেখা। জীবন হচ্ছে আমার সাবেক কলিগ, আমরা এক সময় একই টিমে কাজ করতাম। তো কুশলাদি বিনিময়ের পর আমরা কাছাকাছি একটা চায়ের দোকানে বসে গেলাম। চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে হঠাৎই জীবন বলে উঠলো বস, আর ভালো লাগছে না; সারাবছর জুড়ে টার্গেটের পেছনে ছুটে বেড়ায়, ডিসেম্বর মাস আসলেই বাৎসরিক ক্লোজিং প্যাঁরা আরো বাড়িয়ে দেয়। অন্যদিকে রয়েছে ডিলারের বিভিন্ন রকম প্যাঁরা, প্রতিযোগী কোম্পানিগুলো নানান অফার দিয়ে প্যাঁরার পরিমাণ বাড়িয়ে কাজটাকে আরো কঠিন করে দেয়। এদিকে বসের প্যাঁরাতো লেগেই আছে। সব কাজ শেষ করে সন্ধ্যায় হালকা বাজার সদায় করে বাসায় গিয়ে আর কিছুতেই হিসেব মেলেনা, জীবনের হিসেবতো মেলেই না বস। একটু বুদ্ধি পরামর্শ দিন দেখি, আর পারছিনা। এভাবে আর টেনে নিতে পারছিনা, রাজ্যের চিন্তায় খালি মাথা ঝিমঝিম করে। একটানা বলে যাওয়ার জীবনের কথাগুলো শুনে আমি একটু নড়েচড়ে বসি। বুঝলাম ও অনেক চাপে আছে, সমস্যা অনেক গভীরে, একটু ভেবে চিন্তে কথা বলতে হবে ওর সাথে। ওকে হাল্কা করার জন্যে আমি ওকে জিজ্ঞেস করলাম, সিগারেট খান? নাকি ছেড়ে দিয়ে আর ধরেননি? উত্তর এলো না বস, ছেড়ে দেওয়ার পর আর খাই নাই। ভালো বেশ ভালো, আমি রিপ্লাই করলাম। এইবার আমি আস্তে আস্তে বলতে শুরু করলাম। আচ্ছা জীবন, বলুন তো দেখি আপনার গ্রাহক কে কে ? আপনি আমি যে প্রতিষ্ঠানে কাজ করি সেই প্রতিষ্ঠানের উৎপাদিত পণ্য বা সেবা যিনি ক্রয় করেন তিনিই তো গ্রাহক। জীবনের সহজ ও সাবলীল উত্তর। দেখুন জীবন, আপাতদৃষ্টিতে তা অবশ্যই ঠিক। সব শ্রেণীর গ্রাহকের মধ্যে উনারাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তবে আরো নানাবিধ গ্রাহক রয়েছেন। এই যেমন ধরেন, আপনার রিপোর্টিং বস। কর্মজীবনে আপনার সফলতা অনেকাংশেই নির্ভর করে এই ভদ্রলোকের উপর। শুধুমাত্র সফলতা না, কর্মক্ষেত্রে মানসিক শান্তিও অনেকটা নির্ভর করে উনার উপর। অথচ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আমরা এই বিষয়টি এড়িয়ে যায়। অর্থাৎ আমরা আমাদের প্রধান গ্রাহককে নিয়ে তেমন ভাবিই না। ফলাফল, কর্মক্ষেত্রে ব্যস্ততা আর নানান ঝক্কি ঝামেলা লেগে থাকার পাশাপাশি বসেরও মন পায় না, কাজেও আনন্দ খোঁজে পাইনা। ফলে জীবন হয়ে উঠে প্যাঁরাময়। আপনি বরং আপনার বসের দিকে একটু বেশি নজর দিন। উনার নির্দেশনা মেনে চলার চেষ্টা করুন, যেকোন সমস্যা আর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় উনার সাথে পরামর্শ করুন, প্রয়োজনে কাজের ফাঁকে সময় বের করে উনার সাথে প্রয়োজনীয় আলাপ সেরে নিন; সর্বোপরি উনার সাথে যোগাযোগ বাড়িয়ে দিন। দেখবেন, দৈনন্দিন সমস্যার পরিমাণ কমে আসার পাশাপাশি বসের প্যাঁরাও কমে গেছে। হ্যাঁ বস, আপনি ঠিক বলেছেন, চোখ বড় বড় করে আমার দিকে তাকিয়ে জীবনের সরল স্বীকারোক্তি । জীবন, জি বস। এর পরের ধাপের গ্রাহক হচ্ছেন আপনাকে যারা রিপোর্ট করেন তারা। এখানে আপনি যেমন তাদের উপর নির্ভরশীল, তারাও আপনার উপর নির্ভরশীল। আপনার অধিনস্থদের অর্জনের সমষ্টিই কিন্তু আপনার অর্জন। কাজেই আপনার টিমের সদস্যদের যৌক্তিক চাওয়া-পাওয়াকে প্রাধান্য দিন। এদেরকে যত বেশি সাপোর্ট দেবেন, দিনশেষে অর্জনের পাল্লা তত বেশি ভারি হবে। আর অর্জন ভালো হলে প্যাঁরার পরিমাণ কিন্তু কমবে। আপনার বস, আপনার নির্দেশনায় কাজ করা টিম এবং প্রতিষ্ঠানের পণ্য ও সেবা গ্রহীতা ছাড়াও আরো এক গুরুত্বপূর্ণ গ্রাহক শ্রেণী আছেন যারা প্রতিনিয়ত সাপোর্ট দিয়ে আপনার কর্মজীবনকে সহজ করে দেন। এরা কারা বস? আলাপের এই পর্যায়ে জীবনের জিজ্ঞাসা। এরমধ্যে চায়ের দ্বিতীয় পর্ব চালু হয়ে গেছে। মার্কেট ভিজিটে গিয়ে চা পানের আলাদা মজা আছে। যাইহোক, আমরা আলাপে ফিরে আসি। আপনার প্রতিষ্ঠানে কর্মরত অন্যান্য বিভাগের সহকর্মীবৃন্দ হচ্ছেন এই শ্রেণীর গ্রাহক। কিছুটা অবাক লাগলেও এটা সত্যি যে, প্রতিষ্ঠানের অন্যসব বিভাগের সহযোগিতা, সুপরামর্শ ও সুষ্ঠ সমন্বয় সাধন ব্যাতি রেখে আপনি-আমি বেশি দূর এগিয়ে যেতে পারবো না।  কাজেই গ্রাহক তালিকায় সকল সহকর্মীবৃন্দকে অন্তর্ভুক্ত করে নিন, মাঝে মধ্যে সবার সাথে কথা বলুন, প্রয়োজনের সময়ে সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দিন, খোঁজ খবর নিন; দেখবেন কর্মজীবন কিছুটা হলেও সহজ হয়ে আসবে, অহেতুক প্যাঁরাও কমতে থাকবে। আসলে যেকোন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের সফলতা অর্জনের জন্যে গ্রাহকদের উত্তম সেবা দেওয়ার যেমন বিকল্প নেই, তেমনি নিত্যদিনের প্যাঁরা কমিয়ে নিজের ক্যারিয়ারে উন্নতির জন্য বর্ণিত সব গ্রাহককুলের সাথে সুসম্পর্ক রাখা, সহযোগীতার আদান-প্রদান তথা যোগাযোগ বৃদ্ধির কোন বিকল্প নেই। চলেন আজকে তাহলে এখানেই শেষ করি, অন্য একদিন না হয় বাজার-সদাইয়ের ব্যাপার নিয়ে আলাপ হবে। আরো পড়তে চাইলে এই লিংকে ক্লিক করুনঃ  কর্মক্ষেত্রে তরূণেরা কিভাবে নেতৃত্ব … […]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *